chittagong tourist place

Chittagong Division​ Tourism Directory

চট্টগ্রাম বিভাগ পর্যটন ডিরেক্টরি: সমুদ্র সৈকত, প্রবাল দ্বীপ, সবুজ পাহাড়ের চূড়া, জলপ্রপাত, হ্রদ ও প্রত্নতাত্ত্বিক স্মৃতিবিজড়িত ১১টি জেলার মোট ১৮১টি দর্শনীয় স্থান, আঞ্চলিক খাবার ও যাতায়াতের পূর্ণাঙ্গ গাইড নিচে সাজানো হলো।

⚓ ১. চট্টগ্রাম জেলা

৪০টি দর্শনীয় স্থান
পতেঙ্গা ও পারকি সমুদ্রসৈকত কর্ণফুলী মোহনার পাথুরে বাঁধ, সূর্যাস্ত, কাঁকড়া ফ্রাই ও টানেল পার হয়ে ঝাউবন ঘেরা সৈকত।
চন্দ্রনাথ মন্দির ও ইকোপার্ক (সীতাকুণ্ড) ১,১৫২ ফুট খাড়া পাহাড়ি ট্র্যাকিং, সুপ্তধারা ও সহস্রধারা ঝরনার মনোরম রূপ।
মহামায়া লেক ও খৈয়াছড়া ঝরনা (মীরসরাই) শান্ত হ্রদে কায়াকিং এবং ক্যাসকেড আকৃতির ৯ ধাপের রোমাঞ্চকর খৈয়াছড়া ট্রেইল।
ফয়’স লেক ও বাটালী হিল শহরের মাঝে পাহাড়ি হ্রদ, বোট ক্রুজ, অ্যামিউজমেন্ট পার্ক ও শহরের সর্বোচ্চ চূড়া।
অন্যান্য দর্শনীয় স্থান: গুলিয়াখালী বিচ, বাঁশবাড়িয়া বিচ, সন্দ্বীপ বিচ, খানখানাবাদ বিচ, খেজুরতলা বিচ, ওয়ার সিমেট্রি, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও চলন্দা গিরিপথ, জাতিতাত্ত্বিক জাদুঘর, নাপিত্তাছড়া ট্রেইল, কমলদহ ঝরনা, সোনাইছড়ি ট্রেইল, বাওয়াছড়া লেক, ছাগলকান্দা ঝরনা, কুমারীকুণ্ড, হাজারিখিল অভয়ারণ্য, ভুজপুর ও খৈরাম সংরক্ষিত বন, লোহাগাড়া অভয়ারণ্য, বাঁশখালী ইকোপার্ক, ভাটিয়ারী গলফ ক্লাব, মিনি বাংলাদেশ (কালুরঘাট), আগুনিয়া চা বাগান, চাঁদপুর-বেলগাঁও চা বাগান, কোদালা চা বাগান, চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা, চেরাগী পাহাড়, নেভাল একাডেমি, মেধা মুনির আশ্রম, মহামুনি বৌদ্ধবিহার এবং চক্রশালা তীর্থস্থান।
🚆 যাতায়াত: ঢাকা থেকে সুবর্ণ ও সোনার বাংলা এক্সপ্রেস ট্রেনে ৫ ঘণ্টা; সরাসরি মহাসড়ক বাস।
🍲 বিখ্যাত খাবার: আসল চাটগাঁইয়া মেজবানি মাংস, কালাভুনা ও চনার ডাল।

🌊 ২. কক্সবাজার জেলা

১৮টি দর্শনীয় স্থান
লাবণী, সুগন্ধা ও কলাতলী বিচ বিশ্বের দীর্ঘতম বালুকাময় সমুদ্রসৈকতের প্রধান জমজমাট মিলনমেলা ও ঢেউয়ের গর্জন।
সেন্টমার্টিন ও ছেঁড়াদ্বীপ বাংলাদেশের একমাত্র স্বচ্ছ নীল পানির প্রবাল দ্বীপ ও জীবন্ত প্রবালের মেলা।
ইনানী বিচ ও মেরিন ড্রাইভ একপাশে সুউচ্চ সবুজ পাহাড় ও অন্যপাশে সাগরের ঢেউয়ের বুক চিরে যাওয়া ৮০ কিমি পথ।
হিমছড়ি ও দরিয়ানগর পাহাড়ি ঠান্ডা ঝরনা, বিচ ভিউ পয়েন্ট এবং প্রাচীন প্রাকৃতিক গুহা নেটওয়ার্ক।
অন্যান্য দর্শনীয় স্থান: সোনাদিয়া দ্বীপ, কুতুবদিয়া দ্বীপ ও বাতিঘর, শাহপরীর দ্বীপ (টেকনাফ), রামু বৌদ্ধবিহার, আদিনাথ মন্দির (মহেশখালী), ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক, শামলাপুর বিচ (বাহারছড়া), মারমেইড ইকো রিসোর্ট (প্যাঁচারদ্বীপ) এবং বার্মিজ মার্কেট।
🚆 যাতায়াত: ঢাকা থেকে সরাসরি কক্সবাজার এক্সপ্রেস ও পর্যটক এক্সপ্রেসে ৮ ঘণ্টা।
🍲 বিখ্যাত খাবার: রূপচাঁদা ফ্রাই, লইট্যা ফ্রাই, ছুরি শুঁটকির ভর্তা ও বার্মিজ আচার।

☁️ ৩. রাঙামাটি জেলা

২৩টি দর্শনীয় স্থান
সাজেক ভ্যালি (Sajek Valley) ১৮০০ ফুট উঁচুতে মেঘের উপত্যকা; কটেজের বারান্দা থেকে মেঘ ছোঁয়ার অনুভূতি।
কাপ্তাই লেক ও ঝুলন্ত সেতু বিশাল হ্রদের বুকে ট্রলার ভ্রমণ এবং পাহাড় ও হ্রদের সংযোগকারী আইকনিক সেতু।
শুভলং ঝরনা ও কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ হ্রদের বুক চিরে পাহাড়ি খাদে বয়ে চলা সুবিশাল ঝরনা এবং কর্ণফুলী জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র।
ধূপপানি ঝরনা (বিলাইছড়ি) গাঢ় অরণ্যে ঢাকা পবিত্র ঝরনা, যার সাদা দুধেল পানির প্রবাহ মন জুড়িয়ে দেয়।
অন্যান্য দর্শনীয় স্থান: রাজবন বিহার, চাকমা রাজার রাজবাড়ি, উপজাতীয় জাদুঘর, কাপ্তাই ওয়াগ্গা চা এস্টেট, হাজাছড়া ঝরনা, পেদা টিং টিং, টুকটুক ইকো ভিলেজ, রাইংখ্যং পুকুর ও লেক, কাট্টলী বিল, রংলাং পাহাড়, জুরাছড়ি, দুমলং পর্বত, লংগদু, কংলাক ঝরনা (সাজেক), মুপ্পোছড়া ঝরনা এবং না-কাবা ছড়া ঝরনা।
🚗 যাতায়াত: সাজেকের জন্য ঢাকা থেকে দীঘিনালা/খাগড়াছড়ি বাস; রাঙামাটি শহরের জন্য সরাসরি বাস।
🍲 বিখ্যাত খাবার: কাপ্তাই লেকের বড় মাছ, ব্যাম্বু চিকেন ও বাঁশপাতায় মোড়া হেবাং।

⛰️ ৪. বান্দরবান জেলা

৩৭টি দর্শনীয় স্থান
নীলগিরি ও নীলাচল মেঘের দেশে দাঁড়িয়ে থাকার অপার সৌন্দর্য এবং পাহাড়ের ওপর নান্দনিক ভিউ পয়েন্ট।
বগালেক ও কেওক্রাডং চূড়া উঁচু পাহাড়ে ঘেরা রহস্যময় প্রাকৃতিক হ্রদ এবং ট্রেকারদের প্রিয় কেওক্রাডং।
নাফাকুম, অমিয়াখুম ও সাতভাইখুম থানচির দুর্গম পাথুরে নদী পার হয়ে পৌঁছানো বাংলার নায়াগ্রা খ্যাত জলপ্রপাত।
বুদ্ধ ধাতু জাদি (স্বর্ণ মন্দির) দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শ্রেষ্ঠ বৌদ্ধ স্থাপত্য ও বিশালাকার প্যাগোডা।
অন্যান্য দর্শনীয় স্থান: তাজিংডং চূড়া, ডিম পাহাড়, চিম্বুক পর্বত, মেঘলা পর্যটন কমপ্লেক্স, শৈলপ্রপাত, সাঙ্গু নদী ক্রুজ, জাদিপাই ঝরনা, বম ও ম্রো উপজাতি পল্লী, সাইরু হিল রিসোর্ট, প্রান্তিক লেক, জীবননগর ও ক্যাচলং লেক, মারায়ন তং (আলীকদম), আলীর সুড়ঙ্গ, তুক অ/দামতুয়া ঝরনা, রূপমুহুরী ঝরনা, ত্লাবং ঝরনা (ডাবল ফলস), তিনাপ সাইতার, জত্লং/মোদক মুয়াল, সাকা হাফং, চিংড়ি ঝরনা, মিলানছড়ি, আন্ধারমানিক, উজানিপাড়া বিহার, বকলাই ঝরনা, কাংদুক/যোগী হা Maintain, লুং ফের ভা সাইতার, তিন্দু, লামা এবং নাইক্ষ্যংছড়ি ঝুলন্ত সেতু।
🚌 যাতায়াত: ঢাকা থেকে সরাসরি এসি/নন-এসি বাসে ৮–৯ ঘণ্টা; চাঁদের গাড়িতে অভ্যন্তরীণ ভ্রমণ।
🍲 বিখ্যাত খাবার: পাহাড়ি বাঁশকোড়ল (ব্যাম্বু শুট), ব্যাম্বু চিকেন ও পাহাড়ি ফল।

🌲 ৫. খাগড়াছড়ি জেলা

১৩টি দর্শনীয় স্থান
আলুটিলা গুহা ও তারেং মশাল জ্বালিয়ে রহস্যময় প্রাকৃতিক পাথুরে সুড়ঙ্গ পার হওয়ার অভাবনীয় অনুভূতি।
রিছাং ঝরনা (মাটিরাঙ্গা) প্রাকৃতিক পাথুরে পানির স্লাইড যুক্ত সুউচ্চ পাহাড়ি ঝরনা।
মায়াবিনী লেক ও হর্টিকালচার পার্ক সবুজ টিলায় ঘেরা শান্ত হ্রদে বোটিং এবং আইকনিক ঝুলন্ত সেতু।
তৈদুছড়া ঝরনা (দীঘিনালা) গভীর জঙ্গল ও পাথুরে পাহাড়ি খাঁদ পেরিয়ে অনিন্দ্যসুন্দর জোড়া জলপ্রপাত।
অন্যান্য দর্শনীয় স্থান: হাতিমুড়া (পেরাছড়া), নিউজিল্যান্ড পাড়া, মহালছড়ি লেক, রামগড় লেক ও চা বাগান, রামু বৌদ্ধ মন্দির, মানিকছড়ি মং রাজবাড়ি, রাবার ড্যাম এবং অপু ঝরনা।
🚌 যাতায়াত: ঢাকা থেকে সরাসরি শান্তি, শ্যামলী বা সেন্টমার্টিন পরিবহনের বাসে ৭–৮ ঘণ্টা।
🍲 বিখ্যাত খাবার: পাহাড়ি সুমিষ্ট আনারস, পেঁপে ও স্থানীয় আদিবাসী খাবার।

🏛️ ৬. কুমিল্লা জেলা

১৮টি দর্শনীয় স্থান
শালবন বৌদ্ধবিহার ও ময়নামতী জাদুঘর অষ্টম শতাব্দীর প্রত্নতাত্ত্বিক বৌদ্ধ বিহারের ধ্বংসাবশেষ ও পোড়ামাটির ফলক।
ধর্মসাগর দিঘি ও রূপসাগর দিঘি ত্রিপুরার মহারাজা ধর্মমাণিক্যের খননকৃত সুবিশাল দিঘি ও ছায়ানিবিড় ওয়াকওয়ে।
ময়নামতী ওয়ার সিমেট্রি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শহীদ সৈনিকদের শান্ত সবুজ স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণ।
বার্ড ও লালমাই পাহাড় পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (BARD) এর মনোরম সবুজ ক্যাম্পাস এবং লাল মাটির লালমাই টিলা।
অন্যান্য দর্শনীয় স্থান: রূপবান মুড়া, ইটাখোলা মুড়া, কোটিলা মুড়া, রানীর বাংলো (Queen’s Palace), শাহ সুজা মসজিদ, বায়তুল আজগর জামে মসজিদ, নূর মানিকচর মসজিদ, কবি তীর্থ দৌলতপুর, জাহাপুর জমিদার বাড়ি, গোমতী নদী রক্ষা বাঁধ এবং বীরচন্দ্র গণগ্রন্থাগার ও টাউন হল।
🚗 যাতায়াত: ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক হয়ে বাসে বা ট্রেনে মাত্র ২ থেকে ২.৫ ঘণ্টা।
🍲 বিখ্যাত খাবার: আসল মনোহরপুরের মাতৃভান্ডারের খাঁটি রসমালাই।

🐟 ৭. চাঁদপুর জেলা

৯টি দর্শনীয় স্থান
পদ্মা-মেঘনা ত্রি-নদীর মোহনা (মোলহেড) পদ্মা, মেঘনা ও ডাকাতিয়া নদীর মিলনস্থল; সূর্যাস্ত ও নদীর খোলা হাওয়া।
রূপসা জমিদার বাড়ি (ফরিদগঞ্জ) ব্রিটিশ ও মোগল স্থাপত্যের অপূর্ব মেলবন্ধনে তৈরি সুবিশাল জমিদারি প্রাসাদ।
হাজীগঞ্জ বড় মসজিদ ঐতিহাসিক বিশাল আয়তনের কারুকার্যময় জামে মসজিদ ও সুউচ্চ মিনার।
অন্যান্য দর্শনীয় স্থান: লোহাগড় মঠ, তুলাতলী মঠ, শাহরাস্তি মঠ, শ্রী শ্রী জগন্নাথ মন্দির (কচুয়া), ভিঙ্গুলিয়া তিন গম্বুজ মসজিদ ও প্রাচীন মাজার এবং কড়ইতলী জমিদার বাড়ি।
🚢 যাতায়াত: ঢাকার সদরঘাট থেকে আধুনিক লঞ্চে ৩ থেকে ৩.৫ ঘণ্টা।
🍲 বিখ্যাত খাবার: মেঘনার তাজা ভাজা ইলিশ মাছ ও ওয়ান মিনিট আইসক্রিম।

🎶 ৮. ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা

১২টি দর্শনীয় স্থান
হরিপুর জমিদার বাড়ি (বড়বাড়ি) তিতাস নদীর পাড়ে নির্মিত বিশাল ও নান্দনিক ত্রিতল ঐতিহাসিক রাজপ্রাসাদ।
ঐতিহাসিক হাতিরপুল (সরাইল) দেওয়ান শাহবাজ আলী নির্মিত মুঘল আমলের শতবর্ষী নান্দনিক খিলান সেতু।
কালভৈরব মন্দির ঐতিহাসিক বিশালাকার শিবমূর্তি এবং প্রাচীন হিন্দু তীর্থস্থান।
অন্যান্য দর্শনীয় স্থান: আরিফাইল মসজিদ (সরাইল), উলচাপাড়া মসজিদ, ভাদুঘর শাহী মসজিদ, কায়লাঘর দুর্গ (কসবা), গঙ্গাসাগর দিঘি, কেল্লা শহীদ মাজার, মঈনপুর মসজিদ, জেলা আর্কাইভ মিউজিয়াম এবং ধরন্তী হাওর।
🚆 যাতায়াত: ঢাকা থেকে ট্রেনে মাত্র ২ থেকে ২.৫ ঘণ্টার পথ।
🍲 বিখ্যাত খাবার: ভৌগোলিক নির্দেশক (GI) স্বীকৃতিপ্রাপ্ত ঐতিহ্যবাহী ছানামুখী মিষ্টি।

🦌 ৯. নোয়াখালী জেলা

১২টি দর্শনীয় স্থান
নিঝুম দ্বীপ ও নামার বাজার সৈকত হাজার হাজার চিত্রা হরিণের অবাধ বিচরণ, নির্জন সৈকত ও ম্যানগ্রোভ বন।
বজরা শাহী মসজিদ দিল্লির জামে মসজিদের অনুকরণে ১৭১৫ সালে মার্বেল পাথরে নির্মিত ঐতিহাসিক মসজিদ।
গান্ধী আশ্রম ট্রাস্ট ১৯৪৬ সালে মহাত্মা গান্ধীর শান্তি মিশনের স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহাসিক ট্রাস্ট ও জাদুঘর।
অন্যান্য দর্শনীয় স্থান: মুছাপুর ক্লোজার ও সৈকত, মাইজদী বড় দিঘি, হাতিয়া দ্বীপ, মনপুরা দ্বীপ সংযোগ, কমলা রানী দিঘি, ভুঁইয়া দিঘি (সেনবাগ), কুইন অব লর্ডস চার্চ (সোনাপুর), চর জব্বার ম্যানগ্রোভ বন এবং রাম ঠাকুর আশ্রম (চৌমুহনী)।
🚆 যাতায়াত: ঢাকা থেকে উপকূল এক্সপ্রেস ট্রেনে ৫ ঘণ্টা; সায়েদাবাদ থেকে সরাসরি বাস।
🍲 বিখ্যাত খাবার: মহিষের দুধের দই, নারিকেলের নাড়ু ও তাজা সামুদ্রিক মাছ।

🌿 ১০. ফেনী জেলা

১০টি দর্শনীয় স্থান
মুহুরী সেচ প্রজেক্ট দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সেচ প্রকল্প; জলকপাট, নদী ও ঝাউবনের স্নিগ্ধ প্রাকৃতিক পরিবেশ।
বিজয় সিংহ দিঘি ও রাজাজী দিঘি ঐতিহাসিক সেন রাজাদের স্মৃতিবিজড়িত সুবিশাল প্রাচীন দিঘি ও ছায়ানিবিড় পাড়।
শমসের গাজীর বাঁশের কেল্লা ও রিসোর্ট ঐতিহাসিক বীর শমসের গাজীর স্মৃতিমাখা পাহাড়ি সীমান্ত এলাকা ও বিনোদন কেন্দ্র।
অন্যান্য দর্শনীয় স্থান: চাঁদগাজী মসজিদ, জগন্নাথ কালী মন্দির, দরবেশ পাগলা মিয়ার মাজার, ফুলগাজীর দোলমন্দির, জমিদার বাড়ির সাত মন্দির (ছাগলনাইয়া) এবং চৌধুরী বাড়ি জামে মসজিদ।
🚆 যাতায়াত: ঢাকা থেকে ট্রেনে বা চট্টগ্রামগামী যেকোনো দূরপাল্লার বাসে ৩.৫–৪ ঘণ্টা।
🍲 বিখ্যাত খাবার: খাঁটি মহিষের দুধের ঘি ও খণ্ডলের ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি।

🛶 ১১. লক্ষ্মীপুর জেলা

৬টি দর্শনীয় স্থান
মজু চৌধুরীর হাট ও মেঘনা ঘাট মেঘনা নদীর সুবিশাল মোহনা ও বন্দর; নদীপথে ট্রলার ক্রুজিংয়ের চমৎকার অনুভূতি।
রায়পুর জিনের মসজিদ (মসজিদ-ই-জামেয়া) ১১০ ফুট সুদীর্ঘ পাতাল সুরঙ্গ বিশিষ্ট ১৮৮৮ সালের প্রাচীন কারুকার্যময় মসজিদ।
দালাল বাজার জমিদার বাড়ি ও খোয়া সাগর দিঘি ৪০০ বছরের প্রাচীন জমিদারি অট্টালিকা, প্রাসাদ প্রাচীর ও সুবিশাল প্রাচীন দিঘি।
অন্যান্য দর্শনীয় স্থান: কামানখোলা জমিদার বাড়ি, রামগতির মেঘনা সৈকত বাঁধ এবং তিতা খাঁ জামে মসজিদ।
🚌 যাতায়াত: ঢাকার সায়েদাবাদ থেকে সরাসরি বাসে ৪.৫ ঘণ্টার পথ।
🍲 বিখ্যাত খাবার: মহিষের দুধের তাজা দই এবং সুস্বাদু মিষ্টি খাজা।
🔗 সংশ্লিষ্ট ভ্রমণ নির্দেশিকাসমূহ:

কক্সবাজার ট্রেনের সিট বুকিং ও টিকিটের ভাড়ার তালিকা জানতে পড়ুন ঢাকা টু কক্সবাজার ট্রেন টিকিট ও সময়সূচি, চট্টগ্রাম শহরের স্পটগুলোর ডে-ট্যুর গাইডের জন্য দেখুন চট্টগ্রাম দর্শনীয় স্থান ও ভ্রমণ নির্দেশিকা এবং সব জেলার আসল মিষ্টির দোকানের জন্য ভিজিট করুন কোন জেলার কোন খাবার বিখ্যাত ও আসল দোকান।